Principal Message

Principal Message

১৯৬৯ সালে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৫ সালে সরকারিকরণ করা হয়। ৪৬ জন শিক্ষকের পদের বিপরীতে ৩৩ জন শিক্ষক প্রায় ৬০০০ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে শিক্ষাদান করছেন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। বি.সি.এস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে শিক্ষকগণ স্ব স্ব বিষয়ে অত্যন্ত যোগ্য ও দক্ষ। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৬ উদয্াপন উপলক্ষে এ কলেজের কৃতী ছাত্র শিমুল আচার্য্য জাতীয় পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে। একই সংগে কলেজের ২২ জন শিক্ষার্থী উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ১ম, ২য়, ৩য় স্থান অর্জন করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। বিগত ৪৭ বছরে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করে সমাজের ও রাষ্ট্রের অনেক উচ্চ স্তরে কর্মরত আছেন। এ-কলেজের শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষত্ব আছে। এখানে শিক্ষার্থীরা কেবল কথায় নয় জ্ঞানে বড়ো হওয়ার জন্য আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সকল সুবিধা ব্যবহার করে পড়াশুনা করতে পারে। কলেজের নির্ধারিত পোষাক ও পরিচয়পত্র নিয়ে ক্লাসে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষকগণ শিক্ষাদান কার্যক্রমে মাল্টি মিডিয়া ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীগণ শিক্ষাকে উপভোগ করতে পারে। শ্রেণি শিক্ষার পাশাপাশি সকাল ৯.০০টা থেকে বিকাল ৫.০০ টা পর্যন্ত লাইব্রেরিতে লেখাপড়া করে । প্রতি মাসে নিয়মিত সাধারণ জ্ঞানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা পাঠ্যক্রমের সাথে সাথে সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে নিজেকে আবিষ্কার করতে পারে। একই সংগে নিজের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষাসহায়ক অনুকুল পরিবেশ কাজে লাগিয়ে আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের একজন প্রতিশ্রুতিশীল মেধাবী ও প্রতিভাবান ছাত্র-ছাত্রী হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে। এখানে শিক্ষক অভিভাবক সর্ম্পক অত্যন্ত নিবিড়। শিক্ষকগণ তাঁর মনিটরিং এর আত্ততাভুক্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং অগ্রগতি তদারকি করেন। পাশাপাশি একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও দৈনিক ক্লাস রুটিন অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষা ও শ্রেণি শিক্ষা কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালিত হয় এবং ধারাবাহিক ভাবে মূল্যায়ন করা হয়। শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকগণ দৃঢ়ভাবে আস্থাশীল যে, নিয়মিত একাডেমিক অনুশীলনের ফলে কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীরা আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সফল হবে। সময়ের দাবী পূরণে তারা সাহসী ভূমিকা পালন করে যোগ্যতা ও দক্ষতার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হয়ে শিমুল আচার্য্যরে মতো দেশ ও জাতির জন্য গৌরব বয়ে আনবে। আসুন আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অভিভাবক ত্রয় শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে সময়, শ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ করে আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণ করি। আমি প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। প্রফেসর সৈয়দ মোহাম্মদ মহসীন, অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ শ্রীমঙ্গল ,মৌলভীবাজার